ইদানিং নির্ভাবনায় ঘুমাতে ইচ্ছে করে। কিন্ত কিভাবে। এত দিন কাজের বুয়ার জন্য এক টু অবসর পেয়েছিলাম। এখন সারাদিন একে আদা চা,কেউ দুধ চা, কেউ মশলা চা। কেউ খিঁচুরী তো কেউ রুটি এই সব কাজ করার পর আবার দুপুর, সন্ধ্যায় রান্না তো আছেই তারপর অভিযোগ বিকেলের নাস্তাটা দিলে না রেবা। আমি তো মেশিন সারাদিন চালু থাকি।
মাহমুদ বেড রুমের দরজা খুলে হাক দিয়েই বলে,
আমাকে এক কাপ কফি দিয়ে যাওতো।
কফির কথাটা বলেই মাহমুদ দরজা বন্ধ করে দেয়।
আমি শুনলাম কিনা। তা তার সময় নেই, কারন, সে এখন বাসায় বসে অফিস করে। খুব নাকি অফিসের চাপ।
আমি কফি নিয়ে দরজা খুলার চেষ্টা করে দেখি,দরজা লক করা। নক করে কমপক্ষে দশ মিনিট পরে সে দরজা খুলে।
আমি রেগেই বলি তার কম্পিঊটার টেবিলে কফিটা রাখতে রাখতে
দরজা বন্ধ কর কেন? অফিসে কি তোমার দরজা বন্ধ করে রাখো।
মাহমুদ আমার রাগ বুঝলেও কোন প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বলে,
তুমি না খুব সুন্দর কফি, চা বানাও। তোমার মত কেউ বানাতে পারেনা।
বুঝলাম ম্যানেজ করার পালা। মাহমুদের মুড যখন খুব রোমান্টিক আবহে থাকে তখন সে এভাবেই কথা বলে।

0 Comments